Select Page
সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু আমাদের যা শিখিয়ে দিয়ে গেল

সুশান্ত সিং রাজপুতের মতো একজন অভিনেতার অকাল মৃত্যু আমাদের নাড়িয়ে দিয়ে গেছে ভেতর থেকে। অত্যন্ত দুঃখজনক এই মৃত্যু আমাদের অনেকগুলি বিষয় শিখিয়ে দিয়ে গেল। বলা ভাল আমাদের চোখে বাঁধা কালো কাপড়ের বাঁধন কিছুটা আলগা করে দিয়েছে এই মৃত্যু। এই আত্মহত্যার পরই বিভিন্ন শিল্পমহলে মূলত গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে চলতে থাকা স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠছে। বলিউড থেকে টলিউড, এমনকি সংগীতশিল্পীরাও একই প্রশ্নে সোচ্চার হয়েছেন। কালচারাল ইন্ডাস্ট্রির শক্তিকাঠামোর ধাঁচা বা খাঁচা কিছুটা প্রকাশ্যে আনার চেষ্টা চলছে। এই শক্তিকাঠামোর শোষণ কাঙ্ক্ষিত নয় বটে কিন্তু তা চিরকালই ছিল আর হয়তো সাময়িক এই ফেসবুকিয়ো বিপ্লবের পরেও তা থেকেই যাবে। হ্যাঁ, একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে অনেক গুণী শিল্পী কাজ হারিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও হারাবেন। কিন্তু এই প্রতিকূলতার মধ্যেই তো আমাদের লড়াই। বেঁচে থাকার লড়াই। এখানেই এসে পড়ে সেই টিকে থাকার লড়াইয়ের প্রশ্ন — সারভাইভাল অফ দ্য ফিটেস্ট। তা নিয়ে তর্ক, প্রতি তর্ক চলতেই থাকবে যতদিন শিল্প ও বানিজ্যের দ্বন্দ্ব না মিটবে। কে বড় শিল্প নাকি বানিজ্য? বানিজ্য নাকি শিল্প? সুশান্ত সিং রাজপুত কত দক্ষ অভিনেতা ছিলেন, কতগুলি প্রজেক্ট থেকে বাদ পড়লেন, তাঁর অবসাদ, বিচ্ছেদ, মৃত্যুর সাইকোলজিক্যাল উৎস এই সমস্ত প্রসঙ্গ সরিয়ে রেখে তাঁর মৃত্যু পরবর্তী একটি দৃশ্য যা এখনও সচল তা এই লেখার বিষয়, কিছু ভাবনাপ্রবাহের সূচিমুখ। সুশান্তের ঝুলন্ত দেহ নামিয়ে আনার পর তাঁর বদলে যাওয়া মুখের ছবি নিমেষে ভাইরাল হল ইন্টারনেট দুনিয়ায়। শুরু হল সুশান্তের মৃত্যুর কারণ খোঁজা ও দোষারোপ করা, সিবিআই চেয়ে ফেসবুকে সই সংগ্রহ, মিডিয়ায় মিডিয়ায় হেডলাইন হল ‘সুশান্ত সিং রাজপুতের রহস্য মৃত্যু’।

কিন্তু ভেবে দেখার বিষয় একজন মানুষ একা চলে গেলেন। একাই যেতে হয়। এই বিরাট সংখ্যক ফ্যান যাঁরা গর্জে উঠলেন মৃত্যুর কারণ খুঁজতে খুঁজতে, কুশপুত্তলিকা পোড়ালেন তাঁরা গভীরভাবে একটি বিশেষ মানবিক অনুভবের অভাব এই অন্তর্জালের দুনিয়ায় স্পষ্ট করে তুলেছেন এ ক’দিনেই। আর তা হল সহমর্মীতা। সহমর্মী হয়ে ওঠার যে বোধ তা হয়তো এই যন্ত্রবিজ্ঞানের প্রভূত উন্নতির সময়ে আমাদের অন্তর্জাল নির্ভর জীবনযাপনে কিছুটা ঝাপসা হয়ে এসেছে। নাহলে একজন তারকা যাঁকে আমরা ভালোবাসি বলে দাবী করি, যাঁর কোনও ছবি আমরা মিস করি না, মহেন্দ্র সিং ধোনির চরিত্রে তিনি বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে দিলেই সোল্লাসে সিটি দিয়ে উঠি হলভর্তি মানুষ, যাঁর ছবি মুঠোফোন বা কম্পিউটার স্ক্রিনে সবসময় ঝুলে আছে তাঁরই একটি গলায় দঁড়ির ফাঁসলাগা আধবোজা চোখের, বদলে যাওয়া মুখের ছবিটি ফেসবুকে টাঙিয়ে দিতে একবারও হাত কেঁপে উঠল না আমাদের! মনটা দুঃখভারে নত হল না কিছুমাত্র! যে যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে একজন মানুষ মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন, যে মানুষটির অনুপস্থিতি আমাদের এতটুকু দুঃখিত করল না বরং আমরা জমে থাকা ক্ষোভ উগড়ে দিতে লাগলাম ফেসবুকের পাতায় তা দেখে কিছুটা শঙ্কিত হয়ে উঠছি। মানবজীবনের অভ্যাসের দিকবদল কি এভাবেই পথ করে নিচ্ছে নিজের? না, আমি মনঃস্তত্ব বিদ্যায় পারদর্শী নই বা সে বিষয়ে কথা বলার মতো পড়াশোনাও যে আমার খুব আছে তা নয় কিন্তু এই মৃত্যুর পর যে দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমগুলিতে উঠে এল তা আমাকে সত্যিই শঙ্কিত করেছে৷ একজন মানুষের চলে যাওয়া নিয়ে খুব কথা নেই, পোস্টের লাইনগুলি পড়লে বোঝা যায় তা যেন অভ্যাসবশত লিখে ফেলা কথা যার সাথে তার মনের ব্যবধান অনেকখানি। লেখক ও চিন্তক চন্দ্রিল ভট্টাচার্য বেশ কিছু সময়ে সরব হয়েছেন ফেসবুকিয়ো অভ্যাস ও সংস্কৃতি নিয়ে। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু যেন সেই সংস্কৃতির খোসা ছাড়িয়ে শাঁসটুকু আমাদের সামনে ফেলে রেখে গেছে। এ যেন একটি সংস্কৃতিতে টিকে থাকার লড়াই। ফেসবুকে সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে পোস্ট না দিতে পারলে আমরা হয়তো ফেসবুকিয়ো সংস্কৃতির বাইরেই থেকে যাব। একথা আমি বলছি না যে সকলকেই একটি মৃত্যুতে সহমর্মী হয়ে উঠতে হবে অথবা এই দাবীও করছি না, যে হাজার হাজার পোস্ট ফেসবুকে করা হয়েছে তার কোনও পোস্টই সহমর্মী নয়। কিন্তু অধিকাংশ পোস্টই (যতদূর চোখে পড়েছে) এক অন্য তাড়নার, সহমর্মীতাবিহীন কিছু শব্দক্ষেপণমাত্র। আমার অভিজ্ঞতার মধ্যে যা আমি অনুভব করি না, শুধু ছবি বা কথার ভিত্তিতে যা আমার কাছে পৌঁছায় অথচ সেই ছবি বা কথা আংশিকভাবে আমার ভাবনার কাছে পৌঁছেছে হয়তো, সেই ঘটনার সাথে নিজেকে জড়িয়ে নিজের সম্পূর্ণ অবস্থান বা উপস্থিতি জানান দেওয়ার এই অভ্যাস অন্তর্জাল নির্ভর এই আধুনিকতম সভ্যতাই আমাদের মধ্যে তৈরি করে দিয়েছে। সাম্প্রতিকতম ঘটনায় নিজের অবস্থান বা উপস্থিতি সম্পর্কে সরব হয়ে ওঠার এই খেলায় আমরা সহমর্মীতাহীন এমনই ভুলভ্রান্তি প্রতিদিন সগর্বে করে চলি যা আমাদের ভাবনার ও মনের দৈন্যতাকেই আরও সুস্পষ্ট করে তোলে। যেমন এই সুশান্তের বদলে যাওয়া মৃত্যু পরবর্তী মুখের ছবি ভাইরাল হয়ে ওঠা। অর্থাৎ হাজার হাজার মানুষ এই ছবি শেয়ার করলেন অথচ তাঁদের কারও ভাবনা একবারও নড়েচড়ে বসল না। ঠিক যেমন অভ্যাসবশত যখন আমরা কোনো কাজ করি তার জন্য সক্রিয় ভাবনার প্রয়োজন কম হয় তেমনি কি তাহলে এই সরব উপস্থিতি জানান দেওয়ার জন্য কী ছবি দিচ্ছি কেন দিচ্ছি তা আমাদের ভাবনার বাইরেই থেকে যাচ্ছে? প্রশ্ন জাগে। আমার প্রশ্ন জাগে সেই সমস্ত কবি শিল্পীদের নিয়েও যাঁরা যেকোনো মৃত্যু, দুর্ঘটনা অথবা রাজনৈতিক ঘোষণার পরের দিনই সকালে উঠে ফেসবুকে কবিতা লিখতে বসেন বা প্রয়াত ব্যক্তির মুখের ছবি রাত জেগে এঁকে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তারপর দিনের অন্যান্য কাজ শুরু করেন। এখন প্রশ্ন জাগে তাহলে কি শিল্পী কবিরা সামাজিক ঘটনাবলীকে উপেক্ষা করে যাবেন? সমাজকে বাদ দিয়ে শিল্প হবে কীকরে? এখানেই বুঝে নিতে হবে উপরের কথার গূঢ়ার্থ বা ইঙ্গিত। যাঁরা মরমী পাঠক, শ্রোতা বা দর্শক তাঁদের কিন্তু প্রস্তুতির জায়গাটা খুব মজবুত ফলে তাঁরা ভুল করেন না প্রকৃত লেখা বা ছবিটি চিনে নিতে। লেখক বা শিল্পী সত্যিই কি একটি ঘটনার অভিঘাত থেকে তৈরি করছেন একটি শিল্প নাকি মস্তিষ্কের কোথাও একটা অজানা অতলে ঘাপটি মেরে বসেছিল ‘এই সময়ে এই বিষয়ে লিখলে আরও মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে’-র ভূত, তা ধরা পড়ে যায়। মরমী পাঠক বা দর্শকের অভিজ্ঞতা তাঁকে সঠিক পথটি চিনিয়ে দেয়। ফলে একটি ঘটনার সাম্প্রতিকতম কড়চায় নিজের অবস্থান জানান দিতে গিয়ে বিষয়ের অভ্যন্তরে থাকার যে ভাণ আমরা করে বসি তা ক্রমাগত ওই বিষয়ের পরিধি থেকে বহুদূরে ছুড়ে ফেলে দেয় আমাদের। বেরিয়ে পড়ে আমাদের ভিতর লুকিয়ে থাকা লাইক কমেন্ট শেয়ারের কৃতদাস, আধুনিক বিশ্বের পালটে যাওয়া জীবনের গাঢ়তম ক্ষতমুখ। এক্ষেত্রে মার্ক জুকেরবার্গের মুখ ভারী হয়ে যেতে পারে। সেই সূত্রেই স্বীকার করে নিই জুকেরবার্গ, আপনিই এই প্রভূত অসম্ভবকে নিমেষে সম্ভব করে তুলেছেন, সহজ করে তুলেছেন আমাদের  কত কত জটিল থেকে জটিলতর সমস্যা। কিন্তু আপনিও সম্ভবত এরকম স্বপ্ন দেখেননি যেদিকে আমরা ঘুরে গেছি। একজন মানুষের মৃত্যু কাউকে কয়েক মুহূর্ত নীরব করে দিল না, ভিতর থেকে ভেঙে দিল না আমাদের, এক ফোঁটা চোখের জল এল না। এই লকডাউন পিরিয়ডে আমরা সরব হয়ে উঠলাম ফেসবুকের পাতায় পাতায়। এই অসম্ভবও তো আপনি বা আপনারাই সম্ভব করে তুললেন। সুশান্তের ফেসবুক বা ইন্সটাগ্রামের ফলোয়ার ঈর্ষনীয় (২ ও ১৩.৮ মিলিয়ন যথাক্রমে)। এত মানুষ তাঁর সাথে জুড়ে থাকতে চেয়েছেন। কমিয়ে ফেলতে চেয়েছেন দূরত্ব অথচ আশ্চর্যভাবে কী বিরাট দূরত্ব সেখানে রয়ে গিয়েছে তা তাঁর মৃত্যুর পর স্পষ্ট হয়ে গেল। এ যেন তাঁর নিজেরই জীবনের মতো এক কঠিন আইরনি। চরিত্রের বাস্তব আর বাস্তবের চরিত্রের মধ্যে যে বিস্তর ফারাক সুশান্ত জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেলেন (সূত্র : আত্মহত্যাবিরোধী শিক্ষামূলক সিনেমায় মূল চরিত্রে অভিনয় আর তারপর নিজেরই আত্মহত্যা) এও যেন ঠিক তাই। আমাদের ‘কালেকটিভ আনকনসাসে’ হয়তো তিনি প্রবেশ করতে পেরেছিলেন, আমাদের কাছে হয়ে উঠেছিলেন ‘হিরোয়িক’ / ‘মিথিক’ কিন্তু আমাদের সহমর্মীতায় তিনি প্রবেশ করতে পারেননি। হয়তো কেউই পারে না। তাহলে এত প্রদর্শন কেন? সংস্কৃতির নতুন কাঠামোয় নিজেকে জুড়ে নেওয়ার জন্য? অভ্যাসের ক্রীতদাস হয়ে নিজের উপস্থিতিকেও প্রয়োজনীয় করে তোলার জন্য? কিন্তু অপ্রয়োজনীয় হয়ে ওঠারও যে সমূহ প্রয়োজনীয়তা আছে তা আমাদের বুঝতে শিখতে হবে। আবার প্রয়োজনীয়তাকে সবসময়ই জাহির করে জানান দেওয়ারও যে প্রয়োজন নেই তাও আমাদের ভাবনার মধ্যে থাকার দরকার আছে। যে মানুষটি একটি মৃত্যুকে ঘিরে আহত হলেন অথচ ফেসবুকে তিনি লিখতে পারলেন না কোনো কথা সেই দুঃখভার কি তাহলে বৃথা হয়ে যাবে? সামাজিক মাধ্যমে সহমর্মীতাহীন কথা লিখে ফেলাই কি তাহলে দুঃখপ্রকাশের নতুন ফরম্যাট? এরকম নানা প্রশ্নের মুখে পড়ে যখন তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে তখন এ কথাও চিন্তার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে যে এই বিপুল কলরব যাতে সুশান্তের চলে যাওয়া ভীষণভাবেই অনুপস্থিত তারও বোধহয় কিছুটা দরকার ছিল। ফাঁকা আওয়াজেও সম্ভবত কখনও কখনও বড় কাজ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে যেমন ইন্ডাস্ট্রির ক্ষমতাকাঠামোয় জোরালো ধাক্কা। কিন্তু মুশকিল হল এই কলরব চিন্তাপ্রসূত বা রাজনৈতিক নয় বরং তা এই অন্তর্জালনির্ভর জীবনের একটি অন্তঃসারশূন্য অভ্যাসমাত্র, একটি আকস্মিক সমাপতন। কবি বলেন — “একলা মানুষ মাতৃগর্ভে / একলা মানুষ চিতায় / মাঝখানের বাকিটা সময় / একলা না থাকার অভিনয়।” মানবজীবনের এই মহাসত্য বর্তমান ব্যস্ত সময়ে যখন প্রতিটি মানুষ শুধু ছুটছেন, যখন আজ আমাদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম একটি যন্ত্র তখন তা আরও প্রকট হয়ে ওঠে। আমরা শিখে গেছি যন্ত্রের কাছাকাছি থাকতে। যন্ত্রসুলভ আচরণে সহমর্মীতা, দুঃখবোধ ইত্যাদি মানবিক গুণগুলি পাশে সরিয়ে রাখতে। কাছাকাছি, পাশাপাশি থাকার যে ‘অভিনয়’ আমরা করে চলেছি সামাজিক মাধ্যমে তার মেকআপ মুছে আমরা কি সত্যিই ‘বেঁধে বেঁধে’ থাকতে পারব আবার? বন্ধুতালিকা ছোট হলেও সে তালিকায় কি একে অপরকে অনুভব করার, বোঝার দায় ও দায়িত্ব আমরা ভাগ করে নিতে পারব আবার? রাগ, অভিমান, দুঃখ যা হোক কিছু কিন্তু সেখানে জীবনের স্পন্দন থাকবে যন্ত্রের অভ্যাস নয়। মিলিয়ন বা বিলিয়নে নয় সেই গভীরতা কীসে মাপা যাবে জানা নেই কারণ তা পরিমাপের যন্ত্র এখনও আবিস্কার হয়নি। আমাদের একলা জীবনের যে মহাসত্য কবি আমাদের শুনিয়েছেন তা যেমন একটি অনিবার্য সত্য ঠিক তেমনই আমরা যে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নানান সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ি যা যান্ত্রিক নয় বরং ইনটুইটিভ তাও তো আরেক সত্য। স্বভাবতই এই দুই সত্যের মাঝের দূরত্ব যতখানি কমিয়ে আনা যায় এই সামান্য মানবজীবনে ততই আমাদের বেঁচে থাকার সার্থকতা বোধহয়। 

এখন কেউ কেউ এই তর্ক তুলতে পারেন যে এই আলোচনা তো সম্পূর্ণই ফেসবুক-নির্ভর রয়ে গেল। কত কত দলিত, ‘নীচুতলার মানুষ’ আত্মহত্যা করছেন প্রতিদিন তাঁদের কী হবে? সেই সূত্রে বলে নেওয়া ভাল একজন সামাজিক ‘অপরে’র আত্মহত্যার রাজনীতি ও কাঠামোকে অবশ্যই অন্য চোখে বিশ্লেষণ করতে হবে। ফেসবুকীয়ো সংস্কৃতির চর্চা দিয়ে তাকে দেখা যাবে না। নানান প্রেক্ষিতে আত্মহত্যার গূঢ়ার্থ বদলে বদলে যাবে সে এক গভীর গবেষণার বিষয়। তা নিয়ে অন্য কোনোদিন লেখা যেতে পারে।

205 Comments

  1. sikis izle

    If you want to use the photo it would also be good to check with the artist beforehand in case it is subject to copyright. Best wishes. Aaren Reggis Sela

    Reply
  2. erotik

    If you want to use the photo it would also be good to check with the artist beforehand in case it is subject to copyright. Best wishes. Aaren Reggis Sela

    Reply
  3. erotik izle

    If you want to use the photo it would also be good to check with the artist beforehand in case it is subject to copyright. Best wishes. Aaren Reggis Sela

    Reply
  4. erotik

    Hello, I desire to subscribe for this weblog to obtain most up-to-date updates, therefore where can i do it please help out. Michal Kermy Utimer

    Reply
  5. film

    Hello. This post was really fascinating, especially since I was investigating for thoughts on this matter last Sunday.

    Reply
  6. I like what you guys tend to be up too. Such clever work and exposure! Keep up the superb works guys I've added you guys to my own blogroll.

    I have been exploring for a bit for any high quality articles or weblog posts on this kind of space .

    Exploring in Yahoo I ultimately stumbled
    upon this site. Studying this information So i am happy to express that I’ve an incredibly good uncanny feeling I
    discovered just what I needed. I most undoubtedly will make certain to
    don?t overlook this web site and provides it a glance regularly.

    Reply
  7. erotik

    It is not my first time to pay a visit this website, i am visiting this website dailly and obtain fastidious information from here daily. Cesya Lief Sheeb

    Reply
  8. erotik izle

    Asking questions are genuinely pleasant thing if you are not understanding anything completely, but this post offers nice understanding even. Dorelia Alphonse Mattie

    Reply
  9. erotik

    Hi, of course this piece of writing is genuinely nice and I have learned lot of things from it concerning blogging. Barbaraanne Zacharie Derby

    Reply
  10. erotik

    Fastidious replies in return of this question with solid arguments and explaining the whole thing about that. Florance Jarib Simeon

    Reply
  11. erotik

    Roy Miller is a character that truly pays homage to the tough guys of old. Juliet Winthrop Corbie

    Reply
  12. porno

    Hi there mates, fastidious article and pleasant urging commented here, I am actually enjoying by these. Coraline Morten Bonnette

    Reply
  13. erotik film izle

    The all the all the moreover obliging your look, the better orchestrating up will you have with your get-together of onlookers. Perri Hurley Zingg

    Reply
  14. sikis izle

    I really enjoy the article. Really thank you! Really Cool. Josie Johny Auria

    Reply
  15. sikis izle

    This design is steller! You definitely know how to keep a reader amused. Neala Sarge Alfi

    Reply
  16. erotik film izle

    Good answers in return of this question with genuine arguments and explaining everything concerning that. Reiko Toby Craggie

    Reply
  17. erotik film izle

    Find here Independent Call girls in Bangalore for fun and dating in Bangalore City. Kimbra Sebastien Glynis

    Reply
  18. erotik

    I like the efforts you have put in this, thanks for all the great blog posts. Rheta Jozef Agustin

    Reply
  19. erotik izle

    This piece oof writing gives clear iddea in favor of the new viewers of blogging, that really how to do blogging. Adeline Lyle Artimas

    Reply
  20. porno

    Some really select posts on this web site , saved to bookmarks . Collette Saunder Cathe

    Reply
  21. türkçe izle

    I like this web blog veery much, Itss a rattling niche post to read and find information. Luce Remus Kearney

    Reply
  22. türkçe izle

    Like!! I blog quite often and I genuinely thank you for your information. The article has truly peaked my interest. Lisa Tymon Aila

    Reply
  23. online casino x

    правду говоря углемоечными, casino x телеграмм

    Reply
  24. casinox

    еще того хуже насвинячил, casino x com зеркало сайта

    Reply
  25. slotcasinox

    по преданию полтара, казино икс casino x официальный сайт зеркало

    Reply
  26. FreeSlotslaw

    шутка сказать обозвали, casino x 1

    Reply
  27. Henrystach

    আপনার জন্য যা কাজ করে স্বয়ংক্রিয় বট, পরীক্ষা করে দেখুন 24/7.
    লিংক – https://plbtc.page.link/aF8A

    Reply
  28. Henrystach

    # 1 নেট আর্থিক বিশেষজ্ঞ! নতুন রোবট পরীক্ষা করে দেখুন.
    লিংক – https://plbtc.page.link/aF8A

    Reply
  29. Henrystach

    এটা আরো টাকা পেতে রোবট আরম্ভ করার শ্রেষ্ঠ সময়.
    লিংক – https://plbtc.page.link/aF8A

    Reply
  30. Henrystach

    এই রোবট আপনি প্রতিটি দিন শত শত ডলার করতে সাহায্য করবে.
    লিংক – https://plbtc.page.link/aF8A

    Reply
  31. Henrystach

    আর্থিক রোবট নেট সবচেয়ে কার্যকর আর্থিক হাতিয়ার!
    লিংক – https://plbtc.page.link/aF8A

    Reply
  32. Henrystach

    আর্থিক রোবট আর্থিক বাজারে আপনার সহচর হতে দিন.
    লিংক – https://plbtc.page.link/aF8A

    Reply
  33. Henrystach

    কোনো টাকা নেই? এটা এখানে তাদের অনলাইন উপার্জন করা সহজ.
    লিংক – https://plbtc.page.link/coin

    Reply
  34. Henrystach

    চালু করুন $1 মধ্যে $100 সঙ্গে সঙ্গে. আর্থিক রোবট ব্যবহার করুন.
    লিংক – https://plbtc.page.link/coin

    Reply
  35. Henrystach

    আর্থিক রোবট আপনার ভবিষ্যত সম্পদ ও স্বাধীনতা.
    লিংক – https://plbtc.page.link/v2EF

    Reply
  36. Henrystach

    New Year’s time for gifts! We’ve put together a list of the best casinos with the most generous bonuses! Play now and win!
    Link – http://bestcasinos2019.com/

    Reply
  37. Henrystach

    New Year’s time for gifts! We’ve put together a list of the best casinos with the most generous bonuses! Play now and win!
    Link – http://bestcasinos2019.com/

    Reply
  38. Henrystach

    New Year’s time for gifts! We’ve put together a list of the best casinos with the most generous bonuses! Play now and win!
    Link – http://bestcasinos2019.com/

    Reply
  39. Henrystach

    New Year’s time for gifts! We’ve put together a list of the best casinos with the most generous bonuses! Play now and win!
    Link – http://bestcasinos2019.com/

    Reply
  40. Henrystach

    New Year’s time for gifts! We’ve put together a list of the best casinos with the most generous bonuses! Play now and win!
    Link – http://bestcasinos2019.com/

    Reply
  41. Henrystach

    আর্থিক রোবট পরিচালনা করুন এবং আপনার আয় বৃদ্ধি করার জন্য একটি দুর্দান্ত উপায়.
    লিংক – https://plbtc.page.link/Dw1j

    Reply
  42. Henrystach

    আর্থিক রোবট পরিচালনা করুন এবং আপনার আয় বৃদ্ধি করার জন্য একটি দুর্দান্ত উপায়.
    লিংক – – https://alloa.page.link/promo

    Reply
  43. onita lascaro

    I will recommend your beautiful post site to my friends

    Reply
  44. henry pourner

    You produce quality content, I appreciate you

    Reply
  45. Henrystach

    আপনার ব্যবহারের এই আর্থিক রোবট যদি ভবিষ্যতে সম্পর্কে চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই.
    লিংক – https://24crypto.de/biggest-bitcoin-markets.php

    Reply
  46. Montrose tip

    Никаких специальных знаний: ты получаешь удовольствие, а денежки текут рекой. Теперь денег хватит на два телевизора! Хочешь узнать как? Смотри тут https://cloud.mail.ru/public/Bgf6/MpCngTt6k

    Reply
  47. JtmfEurot

    24 hour pharmacy near me ed meds online drugstore pharmacy

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *