Select Page
অতিমারীর সময়ে ফিরে দেখা শাহাবুদ্দিনের ছবি: একটি চিন্তার খসড়া

শাহাবুদ্দিন আহমেদ (জন্ম : ১৯৫০) একজন বিশ্ববরেণ্য বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী যিনি বর্তমানে প্যারিসে বসবাস করেন। শাহাবুদ্দিন ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সক্রিয় যোদ্ধা। যুদ্ধ পরবর্তীকালে চিত্রশিল্পই তাঁর পেশা ও নেশা। শাহাবুদ্দিনের ছবিতে গতি এক আশ্চর্য চরিত্র হিসেবে ফিরে ফিরে এসেছে। তিনি একজন যোদ্ধার মন দিয়ে সাজিয়ে তুলেছেন প্রতিটি ক্যানভাস। মৃত্যুর হতাশা নয়, লড়াইয়ের প্রত্যাশা ও গতিবেগের ভূমি তিনি যেন প্রস্তুত রেখেছেন প্রতিটি ছবিতে। সমূহ ক্ষতিকে জয় করে বিজয়োল্লাসে মানবজীবনের জয়গান গাওয়ার প্রত্যয় প্রতিটি চরিত্রের মধ্যে তিনি স্থাপন করতে পেরেছেন। মইনুদ্দীন খালেদ লিখেছেন “শিল্পী আশাবাদী চেতনা লালন করেন এবং তিনি একদা যে প্রতিজ্ঞা নিয়ে স্বদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন সেই অঙ্গীকারের অঙ্গার এখনও ধিকিধিকি জ্বলছে তাঁর অন্তরে।” এই প্রত্যাশার আগুনেই জারিত হয়ে আরও আরও গতিশীল হয়ে ওঠে শাহাবুদ্দিনের মানুষ অথবা প্রাণীরা।
বিশ্বজুড়ে এক আশ্চর্য সংকটের মধ্যে পড়ে গেছি আমরা। সারা বিশ্ব এক অদৃশ্য শত্রুর হাতে কাহিল হয়ে পড়েছে। সরকারী পক্ষে দেশ জুড়ে লকডাউন। এমতাবস্থায় যখন আমাদের গতি থেমে গেছে, আমরা গৃহবন্দী অবস্থায় একটি স্থিতিশীল (stasis) পরিস্থিতির মধ্যে আছি তখন শাহাবুদ্দিনের এই ছবিগুলিই ফিরে দেখতে দেখতে কীভাবে তা কিছু ভিন্নতর ভাবনার উদ্রেক করল আমার ভিতর তা নিয়েই এই লেখা। 

নিজের স্টুডিয়োতে শাহাবুদ্দিন

জাঁক দেরিদা (জন্ম : ১৯২০) বিশ শতকের একজন অন্যতম প্রধান দার্শনিক যাঁকে ডিকনস্ট্রাকশনের জনক বলা যেতে পারে যদিও দেরিদা নিজে বারবার এই ডিকনস্ট্রাকশনকে একটি পৃথক থিওরি বা -ইজম বলার বিরোধিতা করছেন। বিরোধিতা করেছেন ডিকনস্ট্রাকশনকে একটি সাহিত্য বিশ্লেষণের পথ হিসেবে মেনে নেওয়ারও। যদিও দেরিদার ডিকনস্ট্রাকশনের ধারণা সাহিত্য বিশ্লেষণের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তবু সচেতনভাবেই সেই মডেলকে যাকে হয়তো দেরিদা বলবেন “this dangerous supplement…” তাকে মাথায় রেখেই অর্থের বহুমুখীতার ধারণাকে মেনে নিতে চাইছি শাহাবুদ্দিনের ছবির ক্ষেত্রে। দেরিদার ভাবনার অতিসরলীকরণ এরকম হতে পারে — অর্থ কোনো নির্দিষ্ট কাঠামোয় বন্দি হয়ে পড়ে না বরং তা ক্রমশ বদলে বদলে যেতে পারে। প্রেক্ষাপটের বহুগামীতা বা যাকে দেরিদার ভাষায় বলা যেতে পারে There is nothing outside context সেখানেই অসংখ্য, অসীম প্রেক্ষাপটে (Context)-র বীজ নিহিত থাকে। স্বভাবতই অর্থ ক্রমাগত আমাদের কাছ থেকে পিছলে যেতে থাকে। নতুন থেকে নতুনতর তাৎপর্যে আমাদের কাছে ফিরে ফিরে আসে৷ দেরিদার ভাবনাকে বোঝার জন্য একটি শব্দ খুব উপকারী : ‘ভূত’ যাকে দেরিদা বলবেন ‘monster.’ ভূত আসলে আমাদের দৃশ্যের, অভিজ্ঞতার অতীত অর্থাৎ ভূত আসলে নেই কিন্তু ভূত আসলে আছে। আছে অথচ নেই। অর্থাৎ না থাকার মধ্যে দিয়েই থেকে যাওয়া অথবা থাকার মধ্যে দিয়ে না থাকার একটি আশ্চর্য অভিজ্ঞতার নাম ভূত। ঠিক এইভাবেই অর্থের বহু সম্ভাবনা না থাকার মধ্যে দিয়েই থেকে যায় একটি অর্থের মধ্যে। অর্থাৎ অর্থের চলমানতা বা অনির্দিষ্টতাই (undecidability) দেরিদার ভাবনাপ্রবাহের একটি মূল স্রোত। আর সেই স্রোতই নতুন করে এই ছবিগুলিকে খুঁজে পাওয়ার সাহস।

দেরিদার একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা Plato’s Pharmacy-তে ফিরে এসেছে Pharmakon-এর ধারণা। প্লেটোর Phaedrus-এর বিশ্লেষণ করতে গিয়ে দেরিদা এই ভাবনার কথা বলেন। এখানে খুব ছোট করে পাঠকের সুবিধার্থে Pharmakon-এর ধারণাটি স্পষ্ট করে নেওয়া ভাল। ইজিপ্টিয়ান লেখালিখির দেবতা Thoth রাজা Thamus-কে লেখার কথা বলেন সুরাহা (remedy) হিসেবে কারণ লেখা স্মৃতিশক্তিকে মজবুত করতে সাহয্য করবে কিন্তু Thamus সেই পথ প্রত্যাখ্যান করেন এই বলে যে লিখিত বস্তু আসলে ভুলে যাওয়ার প্রথম পথ বা বিষ (poison) কারণ এই লিখিত বস্তু ভুলে গেলেই মনে করতে সাহায্য করবে ফলে স্মৃতিশক্তি শিথিল হয়ে পড়বে। দেরিদা এই লেখার বিশ্লেষণ করে দেখান কীভাবে লেখা আসলে একই সাথে বিষ (poison) ও সুরাহা বা উপশম (remedy) হয়ে উঠতে পারে। দেখাতে চান লেখার প্রকৃত বা নির্দিষ্ট কাঠামো নয় বরং অনিশ্চিত ও অনির্দিষ্ট (undecidable) দিকটি যা থেকে একটি শেষ বিন্দুতে আমরা পৌঁছাতে পারি না। ক্রমশ তা আমাদের কাছ থেকে দূরে সরে যায়। বিষের মধ্যে ঢুকে পড়ে উপশম বা উপশমের মধ্যে বিষ। আমাদের বাংলায় প্রচলিত একটি কথা এই প্রসঙ্গে উদাহরণস্বরূপ ব্যবহার করা যেতে পারে “বিষে বিষক্ষয়।” যা বিষ তা যদি বিষক্ষয় করে উপশম এনে দেয় তাহলে তাকে কি আর বিষ হিসেবে দেখা যায়? অথচ তা তো বিষই। এই অনির্দিষ্টতা বা অনিশ্চয়তা দেরিদার ভাবনাস্রোতের মূল লক্ষণ। এই Pharmakon-এর ধারণাকে সামনে রেখে শাহাবুদ্দিনের ছবিগুলিকে দেখতে চেষ্টা করা যেতে পারে এই লকডাউনের গৃহবন্দী স্থিতিশীল প্রেক্ষাপটে।

শাহাবুদ্দিনের এই সিরিজের কাজগুলির মধ্যে যে গতির তারণা বা বিস্ফার আছে তাকে আমাদের এই স্থিতিশীল পরিস্থিতির অপর হিসেবে ধরা যেতে পারে। আমরা যারা আর্থিক ও সামাজিকভাবে একটি সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছি তারা এই গৃহবন্দী স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে শাহাবুদ্দিনের এই ছবিগুলিকে গ্রহণ করতে পারে poison বা বিষ হিসেবে। আমাদের থেমে যাওয়া গতির বিরুদ্ধে এই শিল্পের ভিতরের গতি কি একটি ঘোষিত জেহাদ? এই গতি আমাদের স্থিতি বা বন্দীদশাকে একপ্রকার অবহেলার চোখে দেখছে? এই গতি কি আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে বাহিরবিশ্ব যার মধ্যে আমরা এতদিন ছুটে বেড়িয়েছি, কখনও থামতে চাইনি? যখন দফায় দফায় লকডাউন বাড়ছে, প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা তখন এই বন্দীত্ব আমাদের কাছে হয়ে উঠছে দুর্বহ। এই কাজগুলির ভিতরের আর্তনাদ, ভেঙে বেরনোর দুঃসহ চেষ্টা, মানবজাগরণের সম্মিলিত উত্থান যেন বিষ হয়ে ঢুকে পড়ছে আমাদের ভিতর আর এই গতির সামনে দাঁড়িয়ে আরও স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হয়ে উঠছে আমাদের গতিহীন থমকে যাওয়া জীবন।  ক্রমশ দুঃসহ হতাশার অন্ধকার আমাদের গ্রাস করতে পারে অথবা আমরাও এই গতির কাছে ঋণী হয়ে উঠতে পারি আমাদের পূর্ববর্তী গতির বোধকে জিরিয়ে রাখার জন্য। শাহাবুদ্দিনের এই সমস্ত কাজে প্রত্যাশা ও দৃঢ় প্রত্যয় ভবিষ্যতের জন্য সাহস সঞ্চয় করেছে। এক একটি তুলির টানে, আঁচড়ে শাহাবুদ্দিন রেখে দিয়েছেন সেই আত্মপ্রত্যয়ের আগুন, যে আগুন যে কোনো প্রতিকূলতাকে পুড়িয়ে ফেলে নিজের পথ করে নিতে পারে। মইনুদ্দীন খালেদ যথার্থই লেখেন “শাহাবুদ্দিনের ছবির মানুষ আর মানুষ থাকে না, তা হয়ে যায় শুভ্র আকাশে ধূমকেতু। জাগরণ আর উত্থানের মহাকাব্য রচনা করেছেন শিল্পী।” এই জাগরণ, এই উত্থানের প্রত্যাশা সম্ভবত আমাদের মধ্যে সেই লড়াইয়ে টিকে থাকার শক্তিসঞ্চারও করে। আমরা স্বপ্ন দেখি অদূর ভবিষ্যতে একটি ঝলমলে পৃথিবীর। শাহাবুদ্দিনের মানুষেরা কোনও গন্তব্যে পৌঁছায় না কিন্তু পৌঁছানোর লড়াই জারি রাখে। লড়াই যেহেতু সুখকর নয় শাহাবুদ্দিনের মানুষেরাও যে দীর্ঘ কণ্টকিত পথ অতিক্রম করছে তা বলাই বাহুল্য কিন্তু প্রত্যাশা তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। আমরা যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি তা সুখের নয় কিন্তু এই অতিমারীর সময়ে লড়াইটাই আমাদের একমাত্র প্রত্যয়৷ আমাদের প্রত্যাশাই আমাদের আত্মবিশ্বাস জোগাবে এই লড়াইয়ে টিকে থাকতে। অর্থাৎ এই ছবিগুলি একাধারে যেমন বিষ হিসবে আমাদের ভাবনার মধ্যে প্রবেশ করে আমাদের সাম্প্রতিক অসুস্থ সময়কে আরও প্রকট করে তোলে তেমনি এই সমস্ত কাজের রেখায়, বর্ণে যে আত্মবিশ্বাস ও প্রত্যয় মাখানো আছে তা এই দুর্বহ সময়কে চ্যালেঞ্জ করার অঙ্গীকার তৈরি করে। আমরা প্রস্তুত হই এই লড়াইয়ে টিকে থাকার জন্য কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালাই না। Mijarul Quayes লিখছেন :

Sahabuddin celebrates life force in the abstract. His images are powerful, indefatigable; these capture forceful motion almost in its rawness, and at times unmindful of directions. Consequently, there is nothing static in his images. There is a characteristic yarning for dynamism even in his depiction of miniscule human figures — he rouses the physical elements around the human form in awe-inspiring motion.


এই গতিই আমাদের এই অতিমারীর সামনে অতি ক্ষুদ্র এক কীটে পরিণত করে আবার এই গতিই হয়ে ওঠে আমাদের শেষ উদ্যম।

এই গতির মধ্যে যে বেদনার পরাকাষ্ঠা লুকিয়ে আছে, লুকিয়ে আছে যন্ত্রণার তীব্র প্রলেপ তাকে যদি আমরা আমাদের স্থিতিশীল সুবিধাজনক অবস্থার অপর হিসেবে ধরে নিই তাহলে এই বীর পরাক্রমী মানবদেহের অবয়বগুলি হয়ে উঠতে পারে মাইলের পর মাইল হাঁটতে থাকা ‘পরিযায়ী’ শ্রমিকদের প্রতিভূ। যে গতি তাঁদের পায়ে, যে স্থির বিশ্বাস ও প্রত্যয় তাঁদের প্রতিটি পদচারণায় লেগে আছে তা যেন এক বৈপ্লবিক উম্মাদনায় শাহাবুদ্দিন সেই কবেই ধরে ফেলেছিলেন ক্যানভাসে ক্যানভাসে। এই গতি যে বিষ বা Poison হিসেবে ‘পরিযায়ী’ শ্রমিকদের শরীরে ঢুকেছে তার প্রমাণ রাষ্ট্রশক্তি দেয় তাঁদের গায়ে কীটনাশক ছিটিয়ে দূষণমুক্ত করার চেষ্টার মাধ্যমে। শ্রমিকের এই পশুত্বকরণ মানবজাতি হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জার বটে কিন্তু তা এখানে এক অন্য দ্যোতনা তৈরি করতে পারে। এই গতিই শ্রমিকদের বাহিরবিশ্বে স্থাপন করেছে। তাঁরা হাঁটছেন মাইলের পর মাইল পথ অর্থাৎ এই বাহিরবিশ্বের সংস্পর্শে তাঁদের শরীরও যে বিষাক্ত হয়ে উঠছে এই গতির কারণে তা অস্বীকার করা যায় না কিন্তু এই গতিই আবার তাঁদের উত্তরণেরও পথ। হাতে পয়সা নেই, খাবার নেই, মাথার উপর ছাদ নেই, যে অঞ্চলে তাঁরা আটকে পড়েছেন সেখানে হাজার হাজার মানুষ রোজ আক্রান্ত হচ্ছেন। এমতাবস্থায় এই গতিই পারে তাঁদের তুলনামূলক নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যেতে। এই গতিই পারে এই অতিমারীর সময়ে গৃহ ও পরিবারের শেষ আশ্রয়টুকুর কাছে পৌঁছে দিতে। এইভাবে এই গতি যেমন তাঁদের কাছে আশঙ্কার তেমনি এই গতিই তাঁদের যুদ্ধজয়ের শেষ প্রত্যয়, সাহসী অঙ্গীকার। একইসাথে বিষ ও উপশম, উপশম ও বিষ।


এইভাবে ছবিও ঠিক লেখারই মতো হয়ে উঠতে পারে সমূহ সম্ভাবনার এক বিরাট মিলনক্ষেত্র। কোনও নির্দিষ্ট ও নিশ্চিত অর্থ বা কাঠামো নয়, এক অবয়বহীন অবয়ব বা প্রেক্ষাপটের নতুন সম্ভাবনায় অসীম দ্যোতনার ‘ভূত’ হিসেবে আমাদের কাছে ধরা দিতে পারে। বিষ ও উপশমের মধ্যে যে অনিশ্চিত সম্পর্ক তাই শিল্পভাবনার এক অনিবার্য নির্যাস। শাহাবুদ্দিনের ছবি সম্পর্কে মইনুদ্দীন খালেদ যে কথা বলেন তার মধ্যে সেই সূত্রটি রাখা আছে — “শাহাবুদ্দিন যতখানি অবয়ব-নির্ভর, তার চেয়ে বেশি নিরাবয়ব; বিমূর্ত-বর্ণে প্রকাশিত। তার মানুষী দেহে ত্বক নেই; আছে পেশী ও রক্তের নাচন।” এই ত্বকহীনতার মধ্যে, অবয়বের মধ্যে নিরাবয়ব বা নিরাবয়বের মধ্যে অবয়বের যে দোলাচল, দ্বন্দ্ব তাই বিষ ও উপশমের পারস্পরিক অনিশ্চয়তাকে চিহ্নিত করে। এক একটি ছবি হয়ে অসীম রসের আধার।

শাহাবুদ্দিনের ছবি নিয়ে আরও নানা আলোচনার সূত্রপাত হতেই পারে। ভারতীয় দর্শনের নবরসের (Navarasa) আলোকে দেখা যেতে পারে এই ছবিগুলিকে। উপরের আলোচনা থেকে আরও কিছুদূর এগিয়ে বলা যায় একটি ছবি অথবা একটি ক্যানভাস আসলে স্থির জড়বস্তু অথচ তার ভিতর দিয়ে আমাদের মধ্যে তৈরি হয় এক গতির মূর্চ্ছনা। এখানেও স্থিতি ও গতির এই পারস্পরিক টেনশন কীভাবে আমাদের মধ্যে অনুভূতির (affect) জন্ম দেয় তার তাত্ত্বিক আলোচনা হতে পারে। শাহাবুদ্দিনের ছবিতে পাশ্চাত্য শিল্পীদের প্রভাব ও প্রভাব থেকে সরে দাঁড়ানো শৈলী নিয়ে আলোচনা করা যেতেই পারে। শাহাবুদ্দিনের প্রিয় শিল্পী ফ্রান্সিস বেকন। শাহাবুদ্দিন বেকন অনুসারী হিসেবে ফ্রান্সে ‘পাতি বেকন’ নামে অ্যাখায়িত হন। সেই প্রভাব ও উত্তরণের প্রাসঙ্গিকতা  নিয়ে চলতে পারে তর্ক-বিতর্ক। এমনকি সাংস্কৃতিকভাবে শাহাবুদ্দিনের মিশ্র অবস্থান (বাংলাদেশ ও ফ্রান্স) কীভাবে তাঁর ছবিকে প্রভাবিত করেছে তা নিয়েও আলোচনার যথেষ্ট স্পেস রয়েছে। এইসব আলোচনার সূত্রগুলি রয়ে গেল। নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে সেগুলি নিয়ে কখনও ফিরে আসা যাবে।

গ্রন্থ/ধারণা ঋণ :

Jacques Derrida. ‘Plato’s Pharmacy’ in Dissemination. Translated by Barbara Johnson. Chicago University Press, 1981. Pp. 63-171.

Jacques Derrida. Of Grammatology. Translated byGayatri Chakravorty Spivak. Johns Hopkins University Press, 1976.

Jacques Derrida. ‘Structure, Sign, and Play in the Discourse of the Human Sciences’ (1966), in Writing and Difference. Translated by Alan Bass. Routledge and Kegan Paul, 1978. Pp. 278-93.

Jacques Derrida. ‘Différance’ (1968), in Margins of Philosophy. Translated by Alan Bass. Chicago University Press, 1982. Pp. 1-27.

Nicholas Royle. Jacques Derrida. Routledge, 2003.

Sahabuddin Ahamed. “Joy Bangla”. Bengal Gallery of Fine Arts, Dhaka, Bangladesh. (exhibition and book published on the same occasion)

………………………………………………………..
কৃতজ্ঞতা স্বীকার : আমার শিল্পগুরু মোঃ মিজানুর খান এই গৃহবন্দী দশায় প্রয়োজনীয় তথ্যের জোগান দিয়ে এই লেখাটি হয়ে উঠতে সাহায্য করেছেন। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতায় অসীম হই। 

10 Comments

  1. dublaj izle

    I appreciate, result in I found just what I was having a look for. Marlane Cortie Orv

    Reply
  2. blog

    I could not resist commenting. Exceptionally well
    written!

    Reply
  3. monte stroder

    I really like the design and contents of your web page

    Reply
  4. concetta annon

    I get very useful information on your page, I feel lucky

    Reply
  5. sex

    Nice post. I was checking continuously this blog and I am impressed!
    Extremely helpful information particularly the last part 🙂 I care for such information much.
    I was seeking this particular info for a long time.

    Thank you and good luck.

    Reply
  6. instagram döl israfı

    This is really interesting, You’re a very skilled blogger.
    I’ve joined your rss feed and look forward to seeking more of your
    wonderful post. Also, I’ve shared your site in my social networks!

    Reply
  7. instagram ucuz porno satın al

    Good day! Do you know if they make any plugins to safeguard against
    hackers? I’m kinda paranoid about losing everything
    I’ve worked hard on. Any suggestions?

    Reply
  8. porno aldım

    You could certainly see your expertise within the work you write.
    The sector hopes for more passionate writers like you who aren’t afraid to say how they believe.

    All the time go after your heart.

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *